Logo

অনলাইনে সেল বৃদ্ধির উপায় ও করণীয়

উদ্দ্যোক্তার কণ্ঠ / ৩৯৯ পড়ছে.
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১

বর্তমান সময়ে অনলাইনে ছোট বড় বিভিন্ন ও বিভিন্ন রকমের উদ্যোক্তা রয়েছে যারা শুরু করার বেশ কিছু দিন পরও সেল হচ্ছে না, যার কারণে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করেদেন।

শুধু অনলাইন বিজনেসই না সব রকমের ব্যবসায় ক্রেতা কখন আসবে আপনার কাছে, কেন আসবেন এসব বিষয় পরিপূর্ণ ধারণা যদি না থাকে তাহলে কখনোই ব্যবসায় ভালো অবস্থান তৈরী করা সম্ভব না। সময় নিয়ে লেগে থাকতে হবে এবং সঠিকভাবে সার্ভিস দিতে হবে তাহলেই সফল হওয়া সম্ভব।
আজকে আলোচনা করবো এমনই কিছু বিষয় নিয়ে,

নিজেকে প্রশ্ন করা শুরু করেন।সেল বৃদ্ধির জন্য কতটুকু সময় অনলাইনে ব্যায় করেছেন।যেহেতু পুরো কার্যক্রমটাই আপনার অনলাইনে তাই অনলাইনে সময় বেশি করে দিন।অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপ গুলোতে সময় দেওয়া শুরু করে দিন আজ থেকেই।নিজের পেইজ হলো আপনার দোকান।সেটাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিন যেমনটা একজন অফলাইন দোকান সাজানো হয় বিভিন্ন লাইটিং,শোকেস,ফ্যান,সুইচ,টাইলস,টেয়ার,টেবিল,ক্যাশ কাউন্টার, কাস্টমার বসার বা দঁড়ানোর জায়গা,পন্যে ডিসপ্লে, ডেকোরেশন।

ঠিক তেমনি আমাদের অনলাইনে বিজনেসের ক্ষেত্রে পেইজটাকে সাজানো দরকার।পেইজের ছবি গুলো ভালো মানের, প্রফেশনাল ভাবে পোস্ট করা দরকার কারন কাস্টমার ভিজিট করেই যেন ভালো একটা ধারনা পেয়ে যায়। নিয়মিত সুন্দর কন্টেন্ট রেডি করে পোস্ট করা।সব কিছু পরিবেশের উপর নির্ভোর করে।

অনলাইন গ্রুপে সেল বৃদ্ধির উপায়ঃ

নিয়মিত পোস্ট করুণ পন্য নিয়েঃ

আপনার পণ্যের বিষয়ে যদি কাস্টোমার ভালো না জানে তাহলে কিভাবে কিনবে। এর জন্য দরকার নিয়মিত পোস্ট করা। আপনি যদি পণ্যটি তৈরি করেন তাহলে তৈরী সব গুলো ধাপ আপনি লাইভে বা ছবি তুলে পোস্ট করতে পারেন, এতে করে ক্রেতা আপনার পণ্যের প্রতি আরু বেশি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার পণ্যের কোয়ালিটি নিশ্চিত হয়েই সে কিনবেন।

অন্যের পোস্টে লাইক,কমেন্ট করুণঃ

আপনি যদি অন্যের পোস্টে গঠনমূলক লাইক কমেন্ট করেন তাহলে একটি সময় আপনার পরিচিত বাড়বে এবং পরবর্তীতে আপনার পোস্টেও তারা লাইক কমেন্ট করবে এতে করে আপনার পোস্ট এর রিচ বাড়বে আর ভালো সেল বৃদ্ধির সম্ভবনাও আরু বাড়বে।

পন্যের গুনাগুন,কোয়ালিটি উল্লেখ করবেনঃ

যে কোন পণ্য তৈরী থেকে শুরু করে কোয়ালিটি ঠিক রেখে পণ্য তৈরি করলে এবং পণ্যের সব কিছু আপনার পোস্টে উল্লেখ করে দিলে ক্রেতা ভালো করে পণ্যটি কোয়ালিটি নিশ্চিত হতে পারবে এবং সে অবশ্যই সেটা ক্রয় করবেন। কোন কিছু লোকানো যাবে না পণ্যের সব তর্থ্য পোস্টে তুলে ধরতে হবে।

পন্যের খুচরা দাম উল্লেখ করবেনঃ

অনেকেই পোস্ট করেন ক্রেতা দাম জিজ্ঞেস করলে আপনি বলেন ইনবক্সে আসেন এতে করে অন্য ক্রেতা মনে একটা কনফিউশান তৈরী হয়। আপনার পণ্যের গুণগত মান ও বাজার সমান মূল্য থাকে তাহলে পোস্টে দাম উল্লেখ করতে তো কোন সমস্যা নেই।
তাই প্রতিটি পোস্টে পণ্যের মূল্য তুলে দরতে হবে।

পন্যের সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে হবেঃ-
আপনার পণ্যটির সঠিক দূশ্যটা যদি আপনি তুলে দরতে না পারেন তাহলে ক্রেতা কেন ক্রয় করবে।
একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাকতে হবে তাহলো আমি যদি ক্রেতা হতাম তাহলে এই পণ্যটি কি আমি ক্রয় করতাম,,? এমন প্রশ্ন আমাদের মাথায় রাকতে হবে।

তথ্যভিত্তিক পোস্ট দেওয়া,একই রকম না দিয়েঃ
আপনি যে পণ্যটি নিয়ে কাজ করতে তার কি কি গুণাগুণ আছে যাবতীয় তর্থ্য পোস্টে তুলে দরতে হবে।
পণ্যটির বিষয়ে অনেকেই পূর্ণ ধারণা নাও থাকতে পারে আর সে যদি সব তর্থ্য ভালো করে জানে তাহলে সে আগ্রহি হবেন পণ্যটি ক্রয় করতে। তাই প্রতিটি পোস্টে চেষ্টা করবেন পণ্য তর্থ্য গুলো সঠিকভাবে তুলে দরতে।

চাহিদাজনিত পন্য নিয়ে কাজ করাঃ

কোন সময়ে মানুষের কি কি চাহিদা হতে পারে সেই বিষয় গুলো লক্ষ্য করে যদি আমগরা পণ্য নিবার্চন করি তাহলে আমাদের সেল নিয়ে তেমন একটা টেনশন করতে হবে না।
যেমন শীতের শুরু থেকে যদি আমরা ভালে কোয়ালিটি সম্পূর্ণ পণ্য নিয়ে কাজ করি তাহলে ভালে একটা সেল আশা করা যেতে পারে।

সুমন আহমেদ হৃদয়
প্রতিষ্ঠানঃ রাঙাশপ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

Archives

Theme Created By Tarunkantho.Com